জিপি ও রবির এনওসি বন্ধঃ গ্রাহক সেবায় ভোগান্তি

জিপি ও রবির এনওসি বন্ধ

২২ জুলাই বিকেলে বিটিআরসি অডিট পাওনা টাকা আদায়ে জিপি ও রবির এনওসি বন্ধের নির্দেশ দেয়। এই নির্দেশনার ফলে গ্রাহক সেবা নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে অপারেটর দুটি।

এনওসি বন্ধ হওয়ার ফলে জিপি ও রবির প্রায় ১২ কোটি গ্রাহক ইন্টারনেটে ধীর গতি ও বেশি কলড্রপের সম্মুখীন হতে যাচ্ছে। এনওসি বন্ধ হওয়ার ফলে অপারেটর দুটি নেটওয়ার্ক পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার কিনতে পারবে না। এর ফলে নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের কাজ ব্যাহত হবে এবং কোনো কিছু আপগ্রেড করা যাবে না।

নেটওয়ার্কের আপগ্রেড ও পরিচর্যা করা না গেলে গ্রাহকরা ব্যান্ডউইথ কম পাবেন এবং ইন্টারনেটের গতি অনেক কম থাকবে। এর সাথে কল ড্রপের পরিমাণ বেড়ে যাবে।

ইতিমধ্যে অপারেটর দুটির অনেক ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাদের ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে পোস্ট করেছে।

জিপি ও রবির এনওসি বন্ধ করার পেছনের কারণ হলো বিটিআরসি গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা এবং রবির কাছ থেকে ৮৬৭ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা পাবে। এই পাওনা টাকা আদায়ের জন্য বিটিআরসি প্রথমে জিপির ৩০% ও রবির ১৫% ব্যান্ডউইথ ব্লক করেছিলো।

এরপর এটি প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশে ব্যান্ডউইথ ব্লকের সিদ্ধান্ত বাতিল করে বিটিআরসি। তারপর এনওসি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সোমবারে এটির নির্দেশনা প্রদান করে বিটিআরসি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।